ঢাকা • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন "​রক্তযোদ্ধা মানব সংগঠনের উদ্যোগ: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন" কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ৭ জনের ছবি ভাইরাল

অনলাইন সংস্করণ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ • ৭৮ বার পঠিত
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ৭ জনের ছবি ভাইরাল
অনলাইন ডেস্কঃ সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাতজনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে । বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ছাত্রাবাসে এ গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন: এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাছুম, এম সাইফুর রহমান, অর্জুন, রাজন আহমদ এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতা রবিউল এবং তারেক আহমদ। তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত কাউকে আটক করা যায়নি। তবে তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, এ ঘটনায় মধ্যরাতে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এসময় ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ কয়েকটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি পাইপগান, চারটি রামদা এবং দু’টি লোহার পাইপ রয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি প্রথম দিকে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা আপোষেরও চেষ্টা চালান। ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় দীর্ঘ সময় ক্ষেপণের কারণে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিতে সক্ষম হন। অবশ্য পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ধাপাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা থেকে সরে দাঁড়ান আওয়ামী লীগ নেতারা। উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়, স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে গিয়ে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ৫-৬ জন নেতাকর্মী তাদেরকে জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধুকে গণধর্ষণ করে তারা। বর্তমানে ওই তরুণী সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরও পড়ুন