ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে

নবীনগর খারঘর গণকবরে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার উদ্বোধন

অনলাইন সংস্করণ
১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ ৬৪ বার পঠিত
নবীনগর খারঘর গণকবরে দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার উদ্বোধন
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর গণকবরে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বিশ্রামাগার উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ বুধবার দুপুরে বিশ্রামাগার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার একরামুল ছিদ্দিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার পারভেজ আহমেদ,বড়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন,সাবেক উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার শামসুল আলম সরকার,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা রহমান নান্নু মাস্টার,বীরমুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সাহন, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ রজ্জব আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা জামাল, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, প্রমুখ। উল্লেখ্য ১৯৭১ সালে ১০ অক্টোবর বর্বর পাক বাহিনী নদী পথে জাহাজে এসে খারঘরে এলোপাতাড়ি আক্রমন করে। এ সময় হত্যা করে ৪৩ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে। তাদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত হয় ১শ ২৭জন।নিহতদের একই সাথে গণকবর দেওয়া হয় এই স্থানটিতে। এরি প্রেক্ষিতে স্মৃতিসৌধ-৭১ নির্মাণ হয়। বিভিন্ন সময় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সভা সেমিনার হলেও বিশ্রামের কোন ব্যবস্থা না থাকায় দূর থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজন ও দর্শনার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিকের নজরে আসলে তিনি নিজ উদ্যোগে সকলের জন্য সুসজ্জিত একটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করে দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক বলেন,গণহত্যা দিবসে এসে দেখি বিশ্রামের কোন জায়গা নেই। শহীদদের কবরের পাশে বসার মত কোন জায়গা না থাকাই অনেকটাই ব্যথিত হয়েছিলাম। এরিপ্রেক্ষিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ দর্শনার্থীরা যেন এখানে এসে বিশ্রাম নিতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ করে দেয়। আমাকে এ কাজের জন্য যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন