ঢাকা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও মুরাদনগরে স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের বাঁশকাইট একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন মুরাদনগরে বিকাশের দোকান থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩টি স্মার্টফোন চুরির অভিযোগ দেবিদ্বারে অন্ধকারে আলো ছড়াচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম ওয়াহেদপুর হোমনায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর যুবকের আত্মহত্যা কুমিল্লায় মাদ্রাসা শিক্ষা কর্মচারী ফোরামের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২০ শিক্ষার্থী আহত কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে

নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন সংস্করণ
১৭ জুলাই ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ ১০৯ বার পঠিত
নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে নাম-পরিচয়, চেহারা, জীবনযাপন—সবকিছু বদলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার নাকের নিচে থাকা একটি জন্মচিহ্ন এবং নিজের মুখে দেওয়া একটি পরিচয়ই ভেঙে দেয় চার দশকেরও বেশি সময়ের ছদ্মবেশ।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন আগে মোজাফফর নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেন। নতুন নামে জীবন শুরু করেন, বদলে ফেলেন চেহারা, পোশাক ও চলাফেরার ধরন। পুরোনো পরিচিতজন, আত্মীয়স্বজন এবং অতীতের প্রায় সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন, যাতে কোনোভাবেই তার অবস্থান শনাক্ত করা না যায়। জীবনের শেষভাগে তিনি গোপনে দেশে ফিরে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে বসবাস শুরু করেন। নিজেকে একজন অবসরপ্রাপ্ত, সাধারণ ও রাজনীতিবিমুখ বৃদ্ধ হিসেবে পরিচিত করে তুলেছিলেন।

ডিবির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দাদের কাছে আগে থেকেই মোজাফফরের একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের তথ্য সংরক্ষিত ছিল। তার নাকের ঠিক নিচে একটি তিল বা আঁচিলসদৃশ কালো দাগ ছিল, যা জন্মগত হওয়ায় পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এ চিহ্নকেই শনাক্তকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে ধরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন