ঢাকা • ৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মুরাদনগরে এক্সচেঞ্জের ভেতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতার আহ্বান সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ শিক্ষকনেতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মুরাদনগরে শিক্ষকদের সমাবেশ বাঙ্গরায় ‘ডাবল টিভি কাপ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ এর ফাইনালে ওমর কায়সান ফুটবল একাদশ বিজয়ী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ কুমিল্লার আলোচিত ত্রিপল মার্ডার: জীবিত দুই মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ

মা সহ কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ মিললো ভাড়া বাসায়

অনলাইন সংস্করণ
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ • ৯৮ বার পঠিত
মা সহ কুবি শিক্ষার্থীর মরদেহ মিললো ভাড়া বাসায়
ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লা নগরীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক শিক্ষার্থী ও তার মায়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার একটি ভাড়াটে বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন: কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৪০) ও তাদের মেয়ে সুমাইয়া আফরিন (২২)। সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানান, নিহতদের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাত ২টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তিনি জানান, নিহতদের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বামী নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে তাহমিনা বেগম ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভাড়াবাসায় থাকতেন। বড় ছেলে আলামিন আহমেদ ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। ছোট ছেলে ফয়সাল আহমেদ কুমিল্লা ইপিজেডের একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার স্ত্রী ঢাকায় থাকেন এবং মাঝেমধ্যে কুমিল্লায় আসা-যাওয়া করতেন। নিহতের ছেলে ফয়সাল জানান, শুক্রবার তিনি ঢাকায় যান স্ত্রীর কাছে। রোববার রাতে কুমিল্লায় ফিরে বাসায় এসে দরজা খুলতে ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা ধাক্কা দিলে খুলে যায়। ভেতরে গিয়ে দুই কক্ষে মা ও বোনের মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশকে খবর দেন। - সময়

আরও পড়ুন