ঢাকা • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মিছিলে কিশোর গ্যাং লিডার রতন, ছবির আড়ালের পুরো ঘটনা জানালেন ছাত্রদল নেতা মহসিন বুড়িচংয়ে পূর্বশত্রুতা ও সড়ক সম্প্রসারণের জেরে  মা-ছেলেকে মারধর লাঞ্ছনায় থানায় অভিযোগ জাতীয় ছাত্রশক্তির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম হৃদয় অবিবাহিত দিবস: একা আছি, বেশ আছি! ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন "​রক্তযোদ্ধা মানব সংগঠনের উদ্যোগ: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩০০টি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন" কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত সন্দেহে একরাতে আটক ৬২৪ দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ৮ মাসের ভাতিজিকে আছাড় দিয়ে হত্যা, যুবক আটক অপ্রতিম হত্যার নেপথ্য রহস্য খুঁজছে ৫ বাহিনী কুবি শিক্ষিকার ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল নূর জাহানের, মারা গেলো অনাগত সন্তানও

মুরাদনগরের ১৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

অনলাইন সংস্করণ
২৭ অক্টোবর ২০২০, ১:২৮ অপরাহ্ণ • ৫১ বার পঠিত
মুরাদনগরের ১৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
সাজ্জাদ হোসেন শিমুলঃ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে কুমিল্লা জেলা পরিষদ। এসময় জেলা পরিষদের ১ একর ৯৯ শতাক জায়গায় দখল করে থাকা ১৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়ে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে ওই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। [embed]https://youtu.be/YS0fYgOZDMs[/embed] অভিযানে জেলা পরিষদের নিযুক্ত শ্রমিক এবং বুলডুজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা ও সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে দেয়া হয়। এ সময় অনেক দখলদার তাদের স্থাপনা স্ব-উদ্যোগে সরিয়ে নেন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা কালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার এডমিরাল আবু তাহের, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নাহিদ আহম্মেদ, জেলা পরিষদের সদস্য ভিপি জাকির হোসেন, নজরুল ইসলামসহ আরো অনেকে। উচ্ছেদকৃত স্থাপনার বাজার মূল্য প্রায় ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকা বলে জানান জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তারা। এদিকে এই উচ্ছেদ অভিযানে আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং বৈধ মালিকানার কাগজ পত্র থাকা সত্ত্বেও অনেকের ব্যক্তি মালিকানাধীন স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলেও ক্ষতিগ্রস্ত অনেকে অভিযোগ করেন। তবে, বৈধ কাগজপত্র আছে এমন কারো স্থাপনা ভাঙ্গা হলে তাদের ক্ষতিপুরণ দেয়া হবে বলে জানান জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন।

আরও পড়ুন