ঢাকা • ৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ শিক্ষকনেতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মুরাদনগরে শিক্ষকদের সমাবেশ বাঙ্গরায় ‘ডাবল টিভি কাপ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ এর ফাইনালে ওমর কায়সান ফুটবল একাদশ বিজয়ী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ কুমিল্লার আলোচিত ত্রিপল মার্ডার: জীবিত দুই মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে

মুরাদনগরে ৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৭ জন

অনলাইন সংস্করণ
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ • ১০১ বার পঠিত
মুরাদনগরে ৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৭ জন
মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষে চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত সরকারি কোষাগারে জমা হবে। শনিবার দুপুরে কুমিল্লা-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১৭ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে ওই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ফলাফলের চিত্র: কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯১ হাজার ২২৭ জন। এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৭টি, যা মোট ভোটারের ৫৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩৩টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৪। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৩ হাজার ৫৮৪ ভোট। প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন (কায়কোবাদ) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮০ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া বাকি ৭ জনই প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। জামানত হারানো প্রার্থীরা: জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আহমদ আবদুল কাইয়ুম - ৩,৩৮০ ভোট। আমজনতার দল-এর প্রজাপতি প্রতীকের চৌধুরী রকিবুল হক - ২৪৮ ভোট। গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ট্রাক প্রতীকের মনিরুজ্জামান - ২১৭ ভোট। বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-এর হাতি প্রতীকের মো. এমদাদুল হক - ৫৩৮ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর ডাব প্রতীকের মো. খোরশেদ আলম - ৬৮৮ ভোট। ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ-এর আপেল প্রতীকের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার - ১৮০ ভোট। জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সিংহ প্রতীকের রিয়াজ মো. শরীফ - ১৫০ ভোট। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর বাইরে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এ আসনে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা মূলত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

আরও পড়ুন