ঢাকা • ৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ শিক্ষকনেতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মুরাদনগরে শিক্ষকদের সমাবেশ বাঙ্গরায় ‘ডাবল টিভি কাপ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ এর ফাইনালে ওমর কায়সান ফুটবল একাদশ বিজয়ী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ কুমিল্লার আলোচিত ত্রিপল মার্ডার: জীবিত দুই মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে

শিশু দেবরকে গলা টি/পে হ/ত্যা/র পর বালতির পানিতে চুবিয়ে রাখে ভাবী! মৃত্যুর মূল রহস্য উদঘাটনের এক বছর পর মরদেহ উত্তোলন

অনলাইন সংস্করণ
২৮ মে ২০২৫, ৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ • ১৩৯ বার পঠিত
শিশু দেবরকে গলা টি/পে  হ/ত্যা/র পর বালতির পানিতে চুবিয়ে রাখে ভাবী!  মৃত্যুর মূল রহস্য উদঘাটনের এক বছর পর মরদেহ উত্তোলন
পানি দিয়ে ঘর নোংরা করায় দুই বছরের শিশু দেবরকে গলাটিপে হত্যার পর মরদেহ বাথরুমের বালতির পানিতে চুবিয়ে রেখে অপমৃত্যুর নাটক সাজায় ভাবী। সেই নাটক সত্যি ভেবে যথারীতি দাফনও সম্পন্ন করা হয় দুই বছরের শিশু আতিকুল ইসলামকে। কিন্তু বালতির পানিতে পড়ে সন্তানের মৃত্যুর ঘটনা মা কিছুতেই যেন মানতে পারছিলেন না। ২-৪দিন পরিবারে শোকের মাতম থাকলেও মায়ের আর্তনাদ যেন থামছিল না। বিধিবাম! মৃত্যুর চারমাস পর প্রবাসী স্বামীর সাথে মোবাইল ফোন কথোপকথনে শিশু আতিক এর মৃত্যুর মূল রহস্য বলে ফেঁ'সে গেলেন ভাবী খাদিজা আক্তার শিপা। স্বামী হানিফও তার স্ত্রীর কথোপকথন রেকর্ড করে ফাঁ'সি'য়ে দেন স্ত্রীকে। ওই কল রেকর্ডের সূত্র ধরে শিশু আতিক এর হ'ত্যা'র বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেন মা হাছিনা আক্তার। মামলা তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য ম'র'দে'হ দাফনের এক বছর পর কবর থেকে দে'হা'ব'শে'ষ উত্তোলন করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের আলিকামোড়া গ্রামে। নি'হ'ত শিশু আতিকুল ইসলাম ওই গ্রামের রুহুল আমিন এর ছেলে। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট আতিক। মঙ্গলবার (২৭ মে) আদালতের নির্দেশে ম'র'দে'হ উত্তোলন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো. দিদারুল ফেরদৌস। এসময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. দিদারুল ফেরদৌস জানান- ২০২৪ সালের ১৮ মে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার আলিকামোড়া গ্রামে বাথরুমের বালতির পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃ'ত্যু ঘটে। প্রাথমিক ভাবে সকলে বালতির পানিতে ডুবে শিশু মৃ'ত্যু নিশ্চিত করে দাফনও করে। কিন্তু ওই ঘটনার চারমাস পর একটি কল রেকর্ডের সূত্র ধরে শিশুর মা হাছিনা বেগম বাদী হয়ে ওই বছরের ৭ অক্টোবর তাদের পুত্রবধু খাদিজা আক্তারকে একমাত্র আসামী করে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে হ'ত্যা মা ম'লা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য চান্দিনা থানায় পাঠানোর পর চান্দিনা থানা পুলিশ চলতি বছরের ১২ জানুয়ারী অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ৩০২ ধারায় আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু ওই তদন্তে ম'র'দে'হ ময়নাতদন্ত এবং ভয়েজ রেকর্ড ফরেনসিক না করায় আবারও তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তের স্বার্থে আমরা ম'র'দে'হ উত্তোলন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর আবারও ম'র'দে'হ কবর দেই। নিহত শিশু আতিকুল ইসলাম এর মা হাছিনা আক্তার জানান- আমার সন্তানদের মধ্যে হানিফ আমার বড় ছেলে এবং আতিক সবার ছোট। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আমার বড় ছেলে হানিফকে বিয়ে করাই। বিয়ের এক মাস পর আমার ছেলে বিদেশে চলে যায়। ঘটনার দিন আমি পাশের বাড়িতে গেলে আমার ছোট ছেলে আতিক ঘরে পানি ফেলে দেয়ায় তাকে গ'লা'টি পে হ''ত্যা করে। আমি বাড়ি এসে আমার ছেলেকে খুঁজতে থাকি কিন্তু আমাদের পুত্রবধু কিছুই বলছিল না। কিছুক্ষণ পর আমি বাথরুমের দরজা খুলে দেখি আমার ছেলে একটি ছোট বালতির ভিতরে মাথা নিচু করে পরে আছে। সে সময় সকলে বালতির পানিতে ডু'বে মৃ'ত্যু বললেও আমি চিৎকার করে বলেছিলাম আমার ছেলেকে মেরে ফেলা হয়েছে। তখন কেউ আমার কথা শুনেনি। আমার ছেলের মৃ'ত্যু'র ১৫ দিন পর খাদিজা আক্তার তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। সেখানে গিয়ে আমার ছেলের সাথে ফোনে কথা বলে সব স্বীকার করে। স্থানীয় বাসিন্দা কুদ্দুস জানান- যখন শিশুটি মা'রা যায় তখন তার গলায় দাগ ছিল। সকলে তখন বালতির কিনারার আ'ঘা'তে'র দাগ মনে করে উড়িয়ে দিয়েছিল। পরবর্তীতে একটি কল রেকর্ডে সব কিছু পরিস্কার হয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন এলাকাবাসীও।

আরও পড়ুন