ঢাকা • ৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ শিক্ষকনেতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মুরাদনগরে শিক্ষকদের সমাবেশ বাঙ্গরায় ‘ডাবল টিভি কাপ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ এর ফাইনালে ওমর কায়সান ফুটবল একাদশ বিজয়ী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ কুমিল্লার আলোচিত ত্রিপল মার্ডার: জীবিত দুই মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে

কুমিল্লায় কোরবানির চামড়া কিনে বড় লোকসানের মুখে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

অনলাইন সংস্করণ
২৯ মে ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ • ৩২২ বার পঠিত
কুমিল্লায় কোরবানির চামড়া কিনে বড় লোকসানের মুখে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া কিনে চরম বিপাকে পড়েছেন শত শত মৌসুমি ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী। সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি করা তো দূরের কথা, বাজারে কোনো বড় পাইকার বা ট্যানারি মালিকের দেখা না মেলায় মাঠপর্যায়ের এই ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র হতাশা দেখা দিয়েছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কের পাশে স্তূপ আকারে পড়ে আছে শত শত গরুর চামড়া। দীর্ঘ সময় ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় এবং তীব্র রোদ ও গরমের কারণে বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক জায়গায় চামড়ায় সময়মতো লবণ না দেওয়ায় ইতিমধ্যে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নাঙ্গলকোট উপজেলার গোমকোট বাজারের মৌসুমি ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন জানান, তিনি লাভের আশায় গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতি পিস গরুর চামড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দরে সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু বাজারে এনে কোনো বড় ক্রেতা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই শিল্পটি এখন ধ্বংসের মুখে এবং লোকসানের কারণে ভবিষ্যতে আর কখনো এই ব্যবসা করবেন না। একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী বাবলু ৮২টি চামড়া সংগ্রহ করে বাজারে এনে এখন দিশেহারা।

তিনি জানান, গাড়িভাড়া দিয়ে চামড়া বাজারে আনার পরও কোনো কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না, উল্টো চামড়াগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।


এদিকে লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের বাস্তব প্রয়োগ না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, টেলিভিশনে দাম নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো ক্রেতাই তা মানছেন না, যার ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে বিপদে পড়েছেন।

আরেক ব্যবসায়ী আবুল কালাম উল্লেখ করেন, দ্রুত লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা না গেলে চামড়াগুলো পচে যাবে, কিন্তু সেই বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য অনেকেরই নেই। আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন বাজারে কয়েক শ ব্যবসায়ী চামড়া নিয়ে ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কোনো পাইকার না আসায় চরম হতাশ হয়ে অনেকে চামড়া সড়কেই ফেলে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।

আরও পড়ুন