ঢাকা • ৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ শিক্ষকনেতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মুরাদনগরে শিক্ষকদের সমাবেশ বাঙ্গরায় ‘ডাবল টিভি কাপ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’ এর ফাইনালে ওমর কায়সান ফুটবল একাদশ বিজয়ী জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সঙ্গে কে. এম. মোজিবুল হকের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা সফর: অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ কুমিল্লার আলোচিত ত্রিপল মার্ডার: জীবিত দুই মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই - কে এম মুজিবুল হক বাঙ্গরা উপজেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ১৪ ঘণ্টা পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিলো বিএসএফ কুমিল্লা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের হাতে আটক বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে

দুর্যোগকালীন বাঁধ মেরামতের জন্য অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) পরিচালন বাজেটের আওতায় বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) খাতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বহির্ভূত ১০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অনলাইন সংস্করণ
৩১ মে ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ • ২৩৫ বার পঠিত
দুর্যোগকালীন বাঁধ মেরামতের জন্য অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) পরিচালন বাজেটের আওতায় বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) খাতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বহির্ভূত ১০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পাঠানো একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পাঠানো একটি আধা-সরকারি চিঠিতে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) পরিচালন বাজেটভুক্ত বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) খাতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ করা অর্থের অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা সংস্থানের অনুরোধ করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্ষা ও তৎপরবর্তী সময়ে নদী ভাঙনের ফলে নদী তীরবর্তী মানুষজন বসতবাড়ি, চাষের জমি, স্কুল-কলেজ, মসজিদ ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

এই নদী ভাঙন রোধে বাঁধ মেরামতসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। বর্ষা মৌসুমে নদী তীরবর্তী মানুষের জানমাল রক্ষার্থে ও নদী ভাঙন মোকাবিলায় বাপাউবোর আওতাধীন বাঁধ ও বিভিন্ন অবকাঠামো রক্ষার কাজ জরুরিভিত্তিতে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে পণ্য ও সেবার ব্যবহার কোডভুক্ত বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) অর্থনৈতিক কোডে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ করা অর্থের অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটে বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) কোডে ৫৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে এবং বাপাউবোর প্রস্তাবনা অনুযায়ী অর্থ বিভাগ থেকে এ বরাদ্দের বিভাজন অনুমোদন করা হয়েছে। সেই হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) কোডে বরাদ্দ করা মোট অর্থের পরিমাণ ৫৪০ কোটি টাকা।

তা থেকে খরচ হয়েছে ২৬৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। অবশিষ্ট রয়েছে ২৭০ কোটি ৮ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অর্থমন্ত্রীর জন্য তৈরি এক নোটে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ করা ৫৪০ কোটি টাকার মধ্যে ৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৬৯.৯২ কোটি টাকা। অর্থাৎ সংশোধিত বাজেটের ২৭০.০৮ কোটি টাকা অব্যয়িত রয়েছে। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরে এপ্রিল-জুন পর্যন্ত তিন মাস সময়কাল অবশিষ্ট রয়েছে। চলতি অর্থবছরের অবশিষ্ট সময়কাল (এপ্রিল-জুন), অব্যয়িত ২৭০.০৮ কোটি টাকা এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের পানি সম্পদ পরিকল্পনা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে বিবেচনায় নিয়ে নদী ভাঙন রোধে আরও অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া যৌক্তিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অবস্থায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে অর্থ বিভাগের ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা’ খাত থেকে ১০০ কোটি টাকা বাপাউবোর সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ করা অর্থের অতিরিক্ত হিসেবে নিম্নোক্ত শর্তে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলো হচ্ছে–

(ক) বরাদ্দ করা অতিরিক্ত অর্থ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তাভুক্ত বাঁধ মেরামত (দুর্যোগকালীন) অর্থনৈতিক কোডে প্রতিফলন ঘটাতে হবে;
(খ) বরাদ্দ করা অতিরিক্ত অর্থ বর্ণিত খাত/অর্থনৈতিক কোড ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না;
(গ) অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে;
(ঘ) প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের জারি করা জি.ও. পত্রে অর্থ বিভাগ কর্তৃক পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে।

আরও পড়ুন