ঢাকা ১৩ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মুরাদনগরে ব্রাজিলের জার্সি পরে মাদক সেবন, দুই যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক মুক্তিযোদ্ধাসহ আরও যাদের ভাতা বাড়বে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দুই শিশুসহ দগ্ধ ৫ কাতারের প্রধান কোচ হলেন বাংলাদেশের ফাতেমা ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর সৌদি আরবে মুরাদনগরের প্রবাসী রাসেলের মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনার আকুতি পরিবারের কবর থেকে সালমান শাহের দেহাবশেষ তোলার নির্দেশ আদালতের হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট

আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে : এমপি বাহার

অনলাইন সংস্করণ
১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ ১৩ বার পঠিত
আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে : এমপি বাহার
প্রদীপ দেব, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন আগামি প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি সংরক্ষন করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এ প্রজন্মের সন্তানদের কাছে তুলে ধরতে হবে। এমপি বাহার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা করেছে, বাংলাদেশের মানুষের উপর অত্যাচার, লোটপাট, ধর্ষন নির্যাতন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশ আজ মাথা তুলে দাড়িয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি স্মৃতিসৌধ নির্মানে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ধন্যবাদ জানান। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অন্যতম যুদ্ধক্ষেত্র কুমিল্লা সদর উপজেলার কটকবাজারে শহীদ স্মৃতসৌধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং উদ্বোধন করেন। ১৯৭১ সালের ৯ মে কুমিল্লা ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা কটকবাজার এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩১ পাঞ্জাব ও ৩৯ বেলুচ রেজিমেন্টের সাথে ২ নং সেক্টরের যুদ্ধ সংগঠিত হয়, এ যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন ২ নং সেক্টরের ক্যাপ্টেন রেজাউর আহমেদ। এখান থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা ভারতে ট্রেনিং যুদ্ধ প্রস্তুতি সহ মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালিত হতো। এ যুদ্ধে ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পাকিস্তানের শতাধীক সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়। কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। উপস্তিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর, কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখি, সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফিউল আহমেদ বাবুল।

আরও পড়ুন