ঢাকা ১৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
মুরাদনগরে ব্যক্তিগত মাদ্রাসাকে ‘এতিমখানা’ দেখিয়ে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ মুরাদনগরে ব্রাজিলের জার্সি পরে মাদক সেবন, দুই যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক মুক্তিযোদ্ধাসহ আরও যাদের ভাতা বাড়বে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দুই শিশুসহ দগ্ধ ৫ কাতারের প্রধান কোচ হলেন বাংলাদেশের ফাতেমা ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর সৌদি আরবে মুরাদনগরের প্রবাসী রাসেলের মৃত্যু, মরদেহ দেশে আনার আকুতি পরিবারের কবর থেকে সালমান শাহের দেহাবশেষ তোলার নির্দেশ আদালতের হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট

ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

অনলাইন সংস্করণ
১০ আগস্ট ২০২০, ২:৫৩ অপরাহ্ণ ২১ বার পঠিত
ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, ঢাকাঃ ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী। সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান নোমানের আদালতে এ মামলাটি করেন কোতোয়ালি থানার ওই কাপড় ব্যবসায়ী সোহেল। আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের একজন এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্তভার দিতে নির্দেশ দেন আদালত। মামলার অপর আসামিরা হলেন- কোতয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক পবিত্র সরকার (৪২), খালিদ শেখ (৪৫), সহকারী উপ-পরিদর্শক শাহিনুর রহমান (৪২), কনেস্টবল মো. মিজান (৫২) ও সোর্স মোতালেব। দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৬/৫০৬/১০৯/৩৪/৩৮৫/৩৮৬/৩৪৭ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(১)(ক)(খ) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে ওসি মিজান কুমিল্লা টাইমস কে বলেন, ‘আমি মামলার বিষয়টা শুনেছি। আমি কোথায় চাঁদা দাবি করেছি তা তো বলতে পারছি না।’ মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার বাদী সোহেলকে গত ২ আগস্ট কোতোয়ালি থানা এলাকার ওয়াজঘাটে মামলার আসামিরা গতিরোধ করেন। এরপর আসামিরা তার দেহ তল্লাশি করে তার পকেটে থাকা দুই হাজার ৯০০ টাকা নিয়ে যান। টাকা ফেরত চাইলে জেএমবি বানিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি প্রদান করেন এবং তার পকেটে ২১৪ পিস ইয়াবা দিয়ে থানা হাজতে নিয়ে যান। এরপর খবর পেয়ে পরিবারের লোকেরা আসলে আসামিরা তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি করা চাঁদা না পেলে তাকে জেএমবি ও মাদক মামলায় চালান করে দেবে বলে হুমকি প্রদান করেন। এরপর পরিবার আসামিদের ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। এরপর বাদীকে নন-এফআইআর মূলে আদালতে চালান করেন। হাজত থেকে বাদী বের হওয়ার পর ঘটনা প্রকাশ করলে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন আসামিরা।

আরও পড়ুন